চোর-পুলিশ
রাস্তায় আসার সময় দেখলাম পুলিশের সাথে নতুন এক বাহিনী ক্রিম কালারের ড্রেস পরে গরীব বাইকারদের হেনস্তা করছে। প্রথমে ভেবেছিলাম জনবল সংকটের কারনে হয়ত বসুন্ধরা আবাসিকের সিকিউরিটি গার্ডদের পুলিশ ভাড়া করেছে।
সামনে গিয়ে সে ভুল ভেঙে গেল। এরাও পুলিশ! আমি আরো ভাবছিলাম মাসুদকে এইরকম একটা ড্রেস কিনে দেবো। হারামজাদা ড্রেস না পরার কারনে লোকজন তারে বাড়ির দারোয়ান বলে চিনতে পারে না।
আমি পুলিশ দেখলে দশ হাত দূরে থাকি। আমার বন্ধু রাশেদ, ক্লাস থ্রিতে থাকতে আমাকে বলছিলো পুলিশ নাকি বাচ্চাদের কিডন্যাপ করে তাদের নুন্টুস বিক্রি করে দেয়। সে কই থেকে এই উদ্ভট তথ্য পেয়েছিল আমার জানা নেই। আর বাচ্চাদের নুন্টুস এর কাজ কি সেটাও আমি তখন জানতাম না। তবে সেই থেকে যে ভয় আমার মনে ঢুকে গেছে সেটা আজও কাটেনি।
রাশেদ এখন কোথায় আছে জানি না। সে কি এখনও পুলিশকে ভয় পায়? তাকে পেলে বলা যেত, পুলিশকে আর ভয় পাওয়ার দরকার নাই, ওরা বদলে গেছে। নতুন পোষাকে ওরা এখন ফেরেশতাদের মত হয়ে গেছে।
রাষ্ট্র হিসেবে বাংলাদেশ অবশ্য ব্যর্থ হতে চলেছে। একেও নতুন পোষাক পরানো দরকার।

মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন